রঙ্গের দুনিয়া স্পেন

যেসব দেশের মানুষেরা দীর্ঘদিন বাঁচে

সার্বিক দিক বিবেচনায়, সারা বিশ্বের মানুষই এখন দীর্ঘদিন বেঁচে থাকছে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, কৃষি কৌশল এবং শিশুমৃত্যুর হার কমার ফলে, গত শতাব্দী থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষের লাইফ এক্সপেক্টেন্সি বা বেঁচে থাকার প্রত্যাশা বেড়ে গেছে। যদিও বিশ্বের অন্যতম ধনী এবং প্রভাবশালী দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকার মানুষের লাইফ এক্সপেক্টেন্সি অন্য অনেক দেশের চেয়েই কম। বিশ্বব্যাংকের ২০১৪ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে ‘হেলথগ্রুভ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান বিশ্বের শীর্ষ ৫০ টি দেশের তালিকা তৈরি করেছে যেসব দেশের মানুষের লাইফ এক্সপেক্টেন্সি বা বেঁচে থাকার প্রত্যাশা অন্য দেশের মানুষগুলোর চেয়ে বেশি।

এই তালিকার সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে- অন্য দেশগুলো যেমন শারীরিক পরিশ্রম এবং পুষ্টিকর খাবারে গুরুত্ব দিয়েছে, আমেরিকা তেমনটা করেনি। এই তালিকার শীর্ষে থাকা দেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু যেখানে ৮৯ বছর, আমেরিকার মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু সেখানে ৭৯ বছর। ৫০টি দেশের তালিকায় জাপানের অবস্থান ৮ এবং আমেরিকার অবস্থান ৪২। অন্যদিকে, জাপানের মানুষের গড় আয়ুর প্রত্যাশা বাড়ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এ ব্যাপারে তাদের দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। ৮২ বছরের প্রত্যাশিত গড় আয়ু নিয়ে জাপান তালিকার শীর্ষ ১০-এ অবস্থান করছে। জাপানের মানুষের দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- তারা ব্যায়াম করে, ভালো খায় এবং সারা জীবন ধরে সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখে। অথচ জাপান এবং অন্যান্য দেশ স্বাস্থ্যখাতে আমেরিকার চেয়ে কম ব্যয় করে।

প্রত্যাশিত গড় আয়ুর হিসেবে শীর্ষ ১০ দেশ:

১: মোনাকো: ৮৯ বছর।

২. হংকং: ৮৪ বছর।

৩. সুইজারল্যান্ড: ৮৩ বছর।

৪. ইতালী: ৮৩ বছর।

৫. স্পেন: ৮৩ বছর।

৬. সান মারিনো: ৮৩ বছর।

৭. সিঙ্গাপুর: ৮৩ বছর।

৮. জাপান: ৮৩ বছর।

৯. এ্যান্ডোরা: ৮২ বছর।

১০. আইসল্যান্ড: ৮২ বছর।

Special Correspondent

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.