Featured মধ্যপ্রাচ্য সৌদি আরব

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার সেই সুমিকে উদ্ধার করল পুলিশ

শেয়ার করুন

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি গৃহকর্মী সুমি আক্তারকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে দেশটির পুলিশ। সোমবার রাতে জেদ্দার দক্ষিণে নাজরান এলাকার কর্মস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে সৌদি আরবে পাশবিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেশে ফেরার আকুতি জানায় সৌদি প্রবাসী নারী সুমি আক্তার (২৬)। সুমির আকুতির ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর তার স্বামী নুরুল ইসলাম রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ভিডিওতে সুমি বলেন, ‘ওরা আমারে মাইরা ফালাইব, আমারে দেশে ফিরাইয়া নিয়া যান। আমি আমার সন্তান ও পরিবারের কাছে ফিরতে চাই। আর কিছুদিন থাকলে আমি মরে যাব।’

গত ৩০ মে সুমি ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজ’র মাধ্যমে সৌদি আরব যান। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই স্বজনদের কাছে তার ওপর নির্যাতনের ঘটনা বলতেন সুমি। দালালরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে তাকে যে বিক্রি করে দিয়েছে সে কথা জানতেন না সুমি। সৌদি যাওয়ার সপ্তাহখানেক পর থেকে শুরু হয় তার ওপর মারধর, যৌন হয়রানিসহ নানা নির্যাতন।

এ ব্যাপারে সুমির স্বামী নুরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘সৌদিতে যাওয়ার পর পরই তার ওপর নানাভাবে নির্যাতন চলে। আমার সঙ্গে মাঝে যোগাযোগ করতে দেইনি। এর পর যখনই আমার সঙ্গে কথা হয় তখনই সুমি বাড়ি আসতে চায়। সে আর সৌদিতে থাকতে চায় না।’

এদিকে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, সুমিকে থানায় নিয়ে আসা হলেও তার এখানকার নিয়োগকর্তা (কফিল) তাকে ছাড়তে চাইছেন না। কফিলের ভাষ্য, এখানে সুমিকে আনতে তার প্রায় তিন লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে, এই টাকা সেবায় শোধ হয়নি। তিনি সুমিকে আরও রাখতে চান। সুমিকে ছাড়তে হলে যারা বাংলাদেশ থেকে মধ্যস্থতা করে (রূপসী বাংলা ওভারসিজ) তাকে সেখানে পাঠিয়েছে, তাদের কাছ থেকে সৌদির কফিলকে অর্থ আদায় করে দিতে হবে।

  • প্রবাস কথা ডেস্ক

আরও পড়ুন- প্রবাসীদের ভোটার করার কাজ শুরু

প্রবাসীদের সব খবর জানতে; প্রবাস কথার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.