Featured বাংলাদেশ থেকে

সতর্ক অবস্থানে দেশের সব বিমানবন্দর, বিকেলে চট্টগ্রামে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ

শেয়ার করুন

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারণে দেশের বিমান বন্দরগুলো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরের ফ্লাইট চলাচল বিকাল ৪ টা থেকে বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বিমান কর্তৃপক্ষ। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বিমান বন্দরগুলোতে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারোয়ার-ই-জামান গণমাধ্যমে জানান, বিকাল ৪ টা থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়া দেশের বিমান বন্দরগুলো ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বিমান বন্দরগুলোতে।

সারোয়ার-ই-জামান আরো বলেন, ’আমরা হেড কোয়ার্টারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। এখন পর্যন্ত আমাদের বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে চট্টগ্রামে ঘূর্নীঝড়ের প্রান্তিক (পেরিফেরিয়াল) আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে শনিবার দুপুরের পরে বিকাল ৪ টা থেকে ফ্লাইট অপারেশন পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এবিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর মো. খালিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময় বিমানবন্দরে কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর আছে। আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। গতকাল থেকেই দেশের সব বিমানবন্দরের পরিচালক, ম্যানেজারদের সঙ্গে কথা বলে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে।

মো. খালিদ হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বরিশাল বিমানবন্দরের ঝুঁকি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরগুলোতে রানওয়ে ও খোলা জায়গায় থাকা যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১৩০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

এছাড়া নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ (নয়) নম্বর মহবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

  • প্রবাস কথা ডেস্ক
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.