Featured ইউরোপ ইতালী

‘আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারি’…

শেয়ার করুন

এটি একজন প্রবাসীর ইশতেহার, এটি একজন সাধারণ নাগরিকের ইশতেহার। এই ইশতেহারে রাজনীতি নেই, আছে মানুষের প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি-

আমি যদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারি, তবে দেশের প্রধান প্রধান মন্ত্রণালয় ছাড়া শহরে কোন ধরনের সাব-অফিস রাখবো না। ঘরে ঘরে চাকরি দিয়ে ডিজিটাল আইনে একটা করে ল্যাপটপ হাতে ধরিয়ে দেবো। যার যার বাড়িতে বসে ফাইল রেডি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রণালয়ে ক্লিক করে পাঠিয়ে দেবে। যার যে দায়িত্ব, তার ল্যাপটপে সেই কাজের নোটিফিকেশন চলে যাবে। এতে করে বাংলাদেশে গ্রাম বলে আর কিছু থাকবে না। মানুষজনও আর শহরমুখী হওয়ার চিন্তা-ভাবনা করবে না।

মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা তাদের ল্যাপটপে নোটিফিকেশন দেখে, তাদের দায়িত্ব সম্পূর্ণ  করে ছবিসহ রিপোর্ট পাঠাবে। হাতে লেখা ফাইল পরিবেশ ভারী করে রাখে, তাই ফাইল তৈরি বর্জন করা হবে। এতে চাকুরিতে নিয়োগে বয়সসীমাও কোন সমস্যা হয়ে দেখা দেবে না। কারণ, পৃথিবী এখন আঙ্গুলের ডগায়। এই পদ্ধতি গ্রহনে আমি নিশ্চিত দুর্নীতিও কমবে।

গাড়ীতে, ট্রেনে বা অন্যান্য পরিবহনে মানুষের ভীড় কম থাকবে। রাস্তায় যানজট থাকবে না। ট্রাফিকদের একহাতে ছাতা নিয়ে ব্যস্ত রাস্তার মাঝখানে জীবন মরণের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। এর ফলে যা যা হবে-

  • শব্দ দুষণ কমে যাবে।
  • বায়ুদূষণ কম হবে।
  • সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে।
  • প্রধান শহরের উপর থেকে জনসংখ্যার চাপ কমে যাবে।
  • মানুষের বাড়তি খরচ কমে যাবে।
  • পরিবহন শ্রমিকরাও বেশী যাত্রীর লোভে বেপরোয়া গাড়ী চালাবে না।
  • ঘরে মা-বাবা দু’জনই সন্তানদের পরিমিত সময় দিতে পারবে
  • বুড়ো মা-বাবাকেও বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাতে হবে না।

এই ইশতেহারের মাধ্যমে সুখী-সমৃদ্ধ জীবন গড়ে দিতে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে আমি অঙ্গীকারাবদ্ধ_________

  • শরীফ মাহমুদ, রোম, ইতালী।
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.