Featured এশিয়া

মালদ্বীপের উমাধু আইল্যান্ড; এখানের প্রাকৃতিক পরিবেশ সবাইকে মুগ্ধ করে

মালদ্বীপের রাজধানী মালে থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে ওমাধু নামে পরিচিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ভরপুর দ্বীপ। দ্বীপের আকৃতি একটা জাহাজের মতো, প্রস্থ ৯০০ মিটার ও দৈর্ঘ এক কিলোমিটার।

দ্বীপের জনসংখা ৪০০ বেশি, দ্বীপের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত খেলার মাঠ ও ঘনবসতি, আর পশ্চিম প্রান্তে স্কুল ও হাসপাতাল, উত্তর পাশে নৌ-বন্দর ও দক্ষিণ পাশে সি-বিচ।

দ্বীপের ভেতর ছোট বড় মিলিয়ে চারটি রেস্টুরেন্ট ও ছয়টি ট্যুরিজম গেস্ট হাউজ আছে। দ্বীপের মাঝামাঝি অবস্থিত দ্বীপের বড় মসজিদ ও আরেকটি ছোট মসজিদের অবস্থান নৌ -বন্দরের পাশেই, দ্বীপে বসবাসকারী শতভাগ মুসলিম। ছোট এই দ্বীপে সারা বছর পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে, বিশেষ করে এখানের প্রাকৃতিক পরিবেশ সবাইকে মুগ্ধ করে।

 

দ্বীপের রেস্টুরেন্ট, গেস্ট হাউজ, শপিংমল ( ছোটো দোকান) ও নির্মাণ শ্রমিক চল্লিশ জনের বেশি বাংলাদেশের রেমিট্যান্স যোদ্বা আছেন, যাদের উপর ভর করে দ্বীপের প্রান সচল থাকে।

যাতায়াত ব্যবস্থার মাধ্যম স্পিড বোটে অথবা ছোটো ফেরিতে ,আশেপাশে কোন এয়ারপোর্টে বা সি-প্লেন বন্দর নেই। দ্বীপের মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস মাছ ও টুরিজম, দ্বীপে প্রায় পঁচিশটি ফিশিং বোট আছে। আর গেস্টদের স্কুবা ডাইবিংয়ের জন্য আছে একটি ডাইবিং স্কুল।

 

দ্বীপের আরেকটি আয়ের উৎস হচ্ছে, এখানে উৎপাদিত নারিকেলের রস, নারিকেল গাছ থেকে রস সংগ্রহ কর্‌ তা আগুনে তাপ দিয়ে রাজধানীতে রপ্তানি করা হয়। পরে তা দিয়ে তৈরি হয় উন্নত মানের সফট ড্রিংক, যার স্থানীয় নাম কুরুম্বা পানি বা নারিকেল গাছের পানি।

ছবি ও প্রতিবেদক – কাইয়ুম ইসলাম, মালদ্বীপ 

আরও পড়ুন- সৌদি আরবের জেদ্দায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন

প্রবাসীদের সব খবর জানতে; প্রবাস কথার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.