Featured কাতার মধ্যপ্রাচ্য

“ভয় আর উৎকণ্ঠায় ছিলো দক্ষিণ কোরিয়া ফেরত যাত্রীরা”

শেয়ার করুন

মঙ্গলবার রাতে আমার ডিউটি ছিলো। ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে আসে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে একটি ফ্লাইট। এর আগে রাত ৩টা থেকে হঠাৎ করে হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ডিউটি ম্যানেজার, এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি, এয়ারপোর্ট পুলিশ এর আনাগোনা বেড়ে যায়। 

প্রথমে বুঝতে পারিনি কি হচ্ছে,পরে জিজ্ঞাসা করে বুঝতে পারলাম কোরিয়ার ফ্লাইট আসবে,তাই চার স্তরের নিরাপত্তা, বন্ধ করা হয় তিনটি ডিপাচার ফ্লাইটের গেট।

এক গেটে ফ্লাইট ল্যান্ড করবে। অন্য গেটে অন্য গেটে যাত্রীরা যাবে, তৃতীয় গেটে এয়ার ডাক্তার রাখা হয় প্রত্যেক যাত্রীর যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে, করোনা ভাইরাস আছে কিনা। বিমানবন্দরে থাকা সবাই কৌতুহলে  কি হচ্ছে, কি হবে?

এক সময় ফ্লাইট ল্যান্ড করলো, উপস্থিত হলো এয়ারপোর্টের ডিউটি ম্যানেজার, কাতার এয়ারওয়েজের সিকিউরিটি, কাতার এভিয়েশন এর হুইল চেয়ার টিম, গেট সিকিউরিটি, হাউজ কিপিং স্টাফ, কাতার এয়ারওয়েজের বোর্ডিং স্টাফ। প্রস্তুত আছে এম্বুলেন্স।

এরপর যাত্রীরা বের হলো, চোখে মুখে হাতাশা, সবাই মাস্ক পরা-বিশাল সিকিউরিটি বহর দেখে যাত্রীরা ভয় আর উৎকণ্ঠায় সিকিউরিটির দিকে তাকিয়ে আছে। এরপর শুরু হলো স্বাস্থ্য পরীক্ষা। খেয়াল করে দেখলাম তাদের চোখ টলমল করছে। ডাক্তারে কাছ থেকে হ্যা সূচক ইঙ্গিত পাবে সেই দিকে পেসেঞ্জারদের চোখ।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বিমানবন্দর থেকে যাত্রীদের জন্য রাখা হলো খাবার। সেদিকে যেন কারও খেয়াল নেই, সবাই কখন বিমানবন্দর থেকে বের হবে সেই চিন্তায়। সেই বিমানে আসা সকল যাত্রীরা করোনাভাইরাস মুক্ত ছিলো।

  • মিল্লাত হোসেন, কাতার। 
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.