Featured যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র

প্রথমবারের মত তৈরি হচ্ছে শব্দের গতি বিশিষ্ট যাত্রীবাহী বিমান

শেয়ার করুন

বর্তমানে আকাশপথে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যেতে সময় লাগে সাত ঘণ্টা বা তার অধিক। কিন্তু এই যাত্রাকে মাত্র দেড় ঘণ্টা বা তারও কম সময়ে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হারমিয়াস করপোরেশন।

হারমিয়াস করপোরেশন মূলত যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টাভিত্তিক উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি থেকে ঘোষণা এসেছে যে, তারা শব্দের চেয়ে ৫ গুণ বেশি গতিতে চলবে এমন একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ তৈরি করতে যাচ্ছে। অর্থাৎ তা চলবে সুপারসনিক গতিতে।

কোনো কিছুর গতি শব্দের চেয়ে বেশি হলেই তাকে সুপারসনিক বলা হয়। আর গতি যদি শব্দের গতির চেয়েও পাঁচ গুণ বেশি হয়, তাকে বলা হয় হাইপারসনিক।তবে  যানবাহনের সঙ্গে তুলনার ক্ষেত্রে শব্দের গতিকে ম্যাক–১ (Mach-1) ধরা হয়। সে হিসাবে হাইপারসনিক গতির মাত্রা ম্যাক–৫ (Mach-5। নিউইয়র্ক-লন্ডনের এই উড়োজাহাজের মডেলকে তাই বলা হচ্ছে হাইপারসনিক বা ম্যাক–৫ যাত্রীসেবা।

যুক্তরাষ্ট্রের হারমিয়াসের প্রধান নির্বাহী ‘এজে পিপলিকা’ বলেন,

এই যাত্রীবাহী হাইপারসনিক উড়োজাহাজ প্রকল্পে ইতিমধ্যে আমরা তহবিল সংগ্রহ শুরু করেছি। এটি তৈরিতে প্রায় এক দশক সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে এর গতিবেগ দাঁড়াবে ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩০০ মাইল।

তবে পরীক্ষামূলকভাবে জেট ইঞ্জিন ব্যবহার করে যুদ্ধবিমানে হাইপারসনিক গতিবেগ অর্জন হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। কিন্তু যাত্রীবাহী উড়োজাহাজে এই প্রযুক্তি এখনো ব্যবহার করা হয়নি। কেননা বাণিজ্যিকভাবে উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এত গতি অর্জন করতে জ্বালানি খরচ অনেক বেশি পড়বে।

পিপলিকা এসম্পর্কে বলেন,

আমাদের হাইপারসনিক উড়োজাহাজ পরিষেবায় নিউইয়র্ক থেকে লন্ডনে টিকিটের দাম পড়বে প্রায় তিন হাজার মার্কিন ডলার।

এই উচ্চগতিবেগ সম্বলিত উড়োজাহাজের পরিক্ষামূলক চালনা শুরু হলেই বোঝা যাবে তা যাত্রী বহনের জন্য উপযুক্ত কিনা। সেজন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরও ১০ বছর।

  • সুমাইয়া হোসেন লিয়া, প্রবাস কথা, ঢাকা।
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.