Featured আফ্রিকা আমেরিকা ইউরোপ এশিয়া মধ্যপ্রাচ্য মালয়েশিয়া

চলতি মাসে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ আয়ের পথে প্রবাসীরা

প্রবাসীদের আয়ের উপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে আমাদের দেশের অর্থনীতির চাকা। ঈদ বা যেকোনো জাতীয় উৎসবকে সামনে রেখে প্রবাসীদের পাঠানো টাকার পরিমাণ বরাবরই বাড়তে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম না। আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে গতি বেড়েছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে।

চলতি বছর মে মাসের প্রথম ২৪ দিনেই বাংলাদেশে এসেছে ১৩৫ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ। যা ১১ হাজার ৩৫৭ কোটি ৪১ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশি টাকার সমান।

তাছাড়া এখন পর্যন্ত প্রতিদিন গড় হিসাবে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ৪৭৪ কোটি ৮৬ লক্ষ ১৯ হাজার টাকার মতো প্রবাসী আয় প্রবেশ করছে।

প্রবাসীদের আয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে চলতি মে মাসের শেষে রেমিট্যান্স দাঁড়াবে, ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার বা ১৪ হাজার ৩৬৪ কোটি ১৫ লক্ষ বাংলাদেশি টাকায়। এক্ষেত্রে তা ছাড়িয়ে যাবে এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণের এযাবৎকালের সব রেকর্ডকেও!

গত বছর ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে মে মাসে প্রবাসীরা ১৫০ কোটি ডলার বা ১২ হাজার ৬৭৪  কোটি ২৫ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছিলেন।

তাছাড়া এ বছরের এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪৩ কোটি মার্কিন ডলার বা ১২ হাজার ৮২ কোটি ৭৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সালে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা ১ হাজার ৫৫৭ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০৪ কোটি মার্কিন ডলার বেশি। আর ২০১৭ সালে রেমিট্যান্স হিসেবে এসেছিল ১ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার।

বাংলাদেশের বিগত কয়েক বছরের রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত চার বছরের মধ্যে দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে।

২০১৪-১৫ অর্থ বছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার বা ১২ হাজার ৯৪২ কোটি ১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৫০ টাকা।

সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিল প্রবাসীরা। তাই সকল দিক বিবেচনায় এই বছরের মে মাসেই ভেঙ্গে যেতে পারে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড।

  • সুমাইয়া হোসেন লিয়া, প্রবাস কথা, ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.