Featured মধ্যপ্রাচ্য সৌদি আরব

প্রতিবছর পবিত্র কাবাঘরে পরানো হয় স্বর্ণখচিত গিলাফ

বিশ্বের মুসলিম জনগোষ্ঠীর কিবলা পবিত্র কাবাঘর। এটি ঢেকে রাখতে ব্যবহার করা হয় স্বর্ণখচিত রেশমি কাপড়ের গিলাফ। প্রতিবছর হজের সময় কাবাঘরের পারানো গিলাফটি সরিয়ে পরানো হয় নতুন গিলাফ।

কালো রঙের স্বর্ণখচিত রেশমি কাপড় দিয়ে তৈরী পবিত্র কাবাঘরের গিলাফ। এর নিচে থেকে মোটা কাপড়ের আরেকটি স্তর। সোনার প্রলেপ দেয়া রুপালী তার ব্যবহার করে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত এবং আল্লাহর প্রশংসাসুচক বিভিন্ন নাম সেলাই করা হয় গিলাফে।

কাবা শরিফের দরজার পর্দাটিকে বলা হয় বোরকা, চারটুকরা জোড়া দেয়ার স্থানে বৃত্তাকারে লিখা হয় সুরা এখলাস। স্বর্ণ খচিত অক্ষরগুলো সোনালী আভায় উদ্বাসিত হয়। একটি গিলাফ তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ৬৭০ কিলোগ্রাম ওজনের রেশমি কাপড়।

প্রতিবছর ৯ই জিলহজের দিন হাজিরা যখন আরাফাতের ময়দানে থাকেন তখন, কাবার গায়ে নতুন গিলাফ পরানো হয়। ১০৭ জন কর্মী এ কাজে নিয়োজিত থাকেন। পুরানো গিলাফটি কেটে মুসলিম বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপহার দেওয়া হয়।

মক্কা নগরীর উম্মুলজুদ এলাকার বাদশাহ আব্দুল আজিজ কমপ্লেক্সে আছে গিলাফ তৈরির কারখানা। এতি তৈরিতে বছরে ২ কোটি ২০লাখ সৌদি রিয়াল বা ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে গিলাফের গায়ে ক্যালিগ্রাফি করেন ২৪০ জন ক্যালিগ্রাফার।

কাবাঘরকে প্রথমে গিলাফ দিয়ে ডেকে দেন হযরত ইসমাইল(আঃ)। পরবর্তীতে ইয়েমেনি কাপড়ের গিলাফ ছড়ান হযরত মুহাম্মদ(সা:) এরপর আবু বক্কর (রাঃ), উমর(রাঃ)এবং উসমান(রাঃ)গিলাফ ছড়ান।

বাদশাহ আব্দুল আজিজ মক্কা ও মদিনার দুই মসজিদ দেখাশোনার দায়িত্ব নেয়ার পর, গিলাফ তৈরির জন্য কারখান স্থাপনের নির্দেশ দেন।

  • প্রবাস কথা ডেস্ক 

আরও পড়ুন- কাতারে বাংলাদেশীদের বিনামূল্যে ইংরেজি শেখার সুযোগ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.