Featured রঙ্গের দুনিয়া সুস্থ থাকুন

পহেলা বৈশাখে বাইরে বের হলে যেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারেন

আগামী কাল পহেলা বৈশাখ। শুধুমাত্র বৈশাখ মাসের প্রথম দিন বলেই নয় বরং বাঙালি জাতির অন্যতম প্রধান উৎসব হিসেবেই এই দিনটির মাহাত্ম্য অনেক বেশি। কম বেশি সবারই কাল ঘরের বাইরে বের হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিভাবে এই দিনটিকে আরো আনন্দময় করে উৎযাপন করতে পারেন, তা নিয়েই এই লিখা।
কালকের সারাদিনের প্রস্তুতি যেভাবে নিতে পারেন তা হলো-
  • যেহেতু কাল বৈশাখ মাসের প্রথম দিন, তাই স্বাভাবিকভাবেই কাল একটু গরম পড়বে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে আগামীকাল তাপমাত্রা থাকবে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ বেশ গরম আপনি অনুভব করতে পারবেন। তাই যথাসম্ভব কোলাহল এড়িয়ে চলুন।
  • বাইরে বের হওয়ার আগে ছাতা, ক্যাপ বা বাড়তি ছোট রুমাল নিতে ভুলবেন না। খেয়াল রাখবেন যেন মাথায় খুব রোদ না লাগে, কেননা এতে আপনার অস্থির হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • অবশ্যই নিজের সাথে খাবার পানি নিয়ে বাসার বাইরে বের হবেন। প্রত্যেকের জন্য ছোট এক বোতল পানি আলাদা রাখবেন। পানি খাওয়ার পাশাপাশি একটু পর পর মুখ ধুয়ে নিলে হিট স্ট্রোকের সম্ভাবনাও এড়িয়ে চলা সম্ভব।
  • আপনি যদি শারীরিকভাবে দুর্বল হোন কিংবা সাথে কোনো শিশু থাকে তাহলে কখনই অতিরিক্ত কোলাহলপূর্ণ জায়গায় যাওয়া ঠিক না। এর প্রথম কারণ হলো রোদ এবং ভ্যাপসা গরমে অনেক মানুষের সমাগমে বাতাস ভারী হয়ে উঠে। এতে আপনার শিশু অথবা আপনার নিজেরই শ্বাস কষ্ট হবার কিংবা মাথা ঘুরিয়ে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।
  • যদি সম্ভব হয় কিছু পুরনো খবরের কাগজ কিংবা বিছানার চাদর নিয়ে বের হওয়া শ্রেয়। এতে আপনি যেকোনো ছায়াপূর্ণ জায়গায় বসে বিশ্রাম নিতে পারবেন। কখনই কড়া রোদের মাঝে এক নাগাড়ে অনেক দূর হাঁটা ঠিক হবেনা।
  • রোদ চশমা (Sunglass), একটি ছোট পাখা এবং সামান্য শুকনো খাবার সাথে নেওয়া সবচেয়ে ভাল। এতে আপনি অনেকটাই স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবেন।
  • রাস্তাঘাটের খোলা খাবার পরিহার করা সর্বত্তম। কেননা গরমের সময় চাইলেও খাবারের গুনাগুন রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে, এর উপর যদি রাস্তার পাশের খাবার হয় তবে তো কথাই নেই! তাই উচিত এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা।
  • কোনো পরিস্থিতিতেই অন্যকে বিরক্ত করবেন না। রমনা পার্কে প্রবেশ করলে নিজের লাইন ঠিক রাখুন। কাউকে পিছনে ফেলে তাদের জায়গায় ঢুকে যাবার চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকুন। নিজের মানসম্মান বজায় রাখার চেষ্টা করুন।
  • তবে সবশেষে বলতে চাই, কাল পান্তা ভাতের সাথে ইলিশ মাছ না খাওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও নিষেধ করুন, কেননা বছরের এই সময়ই ইলিশ মাছের প্রজনন হয়। আর যদি ইলিশ মাছ বাসায় আগেই কেনা হয়ে থাকে, তবে সেই ফ্রিজে ‘তুলে রাখা’ মাছ খেতে ভুলবেন না।
আগামীকালের দিনটি সকলের জীবনের দূঃখ, দুর্দশা এবং গ্লানিকে দূর করবে এবং সকলের জীবনে সুন্দর একটি বছর উপহার দিবে এই প্রত্যাশাই রইলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.