Featured অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া

দুইমাস ধরে জ্বলছে অস্ট্রেলিয়ার একপ্রান্ত, তবে কি ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়ানো হয়েছে এই দাবানল?

শেয়ার করুন

বর্তমান বিশ্বে আলোচিত খবর অস্ট্রেলিয়ার দাবানল। প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে চলমান এই ভয়াবহ দাবানলে গোটা অস্ট্রেলিয়াতে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে অগ্নিনির্বাপক দলের ৩ জন সদস্য সহ আরো ২৮ জন মানুষের অকাল প্রাণহানি। এছাড়া কয়েক হাজার বসতবাড়ি ধ্বংস, ১ লক্ষ ৭ হাজার বর্গ কিলোমিটারের বেশি বনাঞ্চল ভষ্মিভূত ও ৫০ মিলিয়নের বেশি গবাদি ও অন্যান্য পশুর মৃত্যু।

এসব খবর দেশ-বিদেশের প্রচার মাধ্যমে দেখার পর অস্ট্রেলিয়াতে বসবাসকারী আমাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়-স্বজন উদ্বিগ্ন হয়ে। তবে আমরা যারা সিডনীতে বসবাস করছি, তারা আল্লাহর রহমতে এখনো নিরাপদে আছি। কারণ ভয়াবহ দাবানলের উৎপত্তিস্থল ও ব্যাপ্তি প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মূল সিডনি মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে উপকূল সংলগ্ন ঘন বনাঞ্চলে।

তবে দাবানলের সৃষ্ট ধোঁয়া প্রচন্ড বাতাসের দ্বারা তাড়িত হয়ে সিডনি শহরকে ঢেকে রেখেছে গত প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে। ফলে দূষিত বায়ুর কারণে শ্বাসকষ্ট জনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সিডনির প্রায় ৯৮ হাজার হেক্টর সবুজ বনাঞ্চলে এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো ভয়াবহ দাবানলের ঘটনা ঘটেনি।

অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট মহাদেশ, কিন্তু ষষ্ঠ বৃহৎ দেশ, যার মোট আয়তন ৭.৬৯২ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার। এই গোটা মহাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ ১.৩৪ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার, যা  অস্ট্রেলিয়ার মোট আয়তনের ১৭ ভাগ। ভৌগোলিক কারণেই এই বনভূমি বা বুশল্যান্ডের (Bushland) অবস্থান অস্ট্রেলিয়ার বিশাল উপকূলভাগ জুড়ে।

উপকূলভাগ থেকে গড়ে আনুমানিক ২০০ কিলোমিটারের কম দূরত্ব অতিক্রম করে ভিতরের দিকে অর্থাৎ, অস্ট্রেলিয়ার মধ্যাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হলেই বনভূমি পাতলা হয়ে একসময় শুরু হয় ধুধু রুক্ষ মরুভূমির মধ্যাঞ্চল, যা আউটব্যাক (Outback) নামে পরিচিত। তাই অস্ট্রেলিয়ান আউটব্যাকটি প্রকৃতপক্ষে মরুভূমি যেখানে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ছোটখাটো মরু ঝোপঝাড় ছাড়া ঘন বনাঞ্চলের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। অস্ট্রেলিয়ার বর্তমানে আড়াই কোটির জনসংখ্যার প্রায় ৮৫ভাগ লোকজন বসবাস করে বনাঞ্চল বেষ্টিত উপকূল ভাগে।

অস্ট্রেলিয়ার মোট আটটি রাজ্যের মধ্যে তাসমানিয়া ব্যতীত বাকি সাতটি রাজ্যের অবস্থান অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে। এরমধ্যে নিউ সাউথ ওয়েল্স বা (NSW) রাজ্যের আয়তন হচ্ছে ৮ লক্ষ ৯ হাজার ৪৪৪ বর্গ কিলোমিটার। যা বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় ৫.৫ গুণ বড়। এই গোটা রাজ্যের বনভূমির পরিমাণ ২০.৪ মিলিয়ন হেক্টর, এবং বলাই বাহুল্য এই বিশাল বনভূমির অবস্থান সমুদ্র উপকূল বরাবর।

অস্ট্রেলিয়াতে জুন থেকে আগস্ট তিন মাস শীতকাল এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বসন্তকাল। এরপর ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে শুরু হয় প্রচণ্ড তাপদাহের গ্রীষ্মকাল, যা চলে ফেব্রুয়ারির শেষদিন পর্যন্ত।

গত ১২ বছরের সিডনিতে বসবাসের অভিজ্ঞতায় দেখেছি যে শীতকালে অর্থাৎ জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত, অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ উপকূল ভাগের রাজ্যগুলি অর্থাৎ সাউথ অস্ট্রেলিয়া, ভিক্টোরিয়া ও এন এস ডাবলু ও দক্ষিণ-পূর্ব কুইন্সল্যান্ড অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় স্মরণকালের যে ভয়াবহ দাবানলের তাণ্ডব চলছে তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভিক্টোরিয়া, সাউথ অস্ট্রেলিয়া, এন এস ডাবলু ও কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের বিশাল ২ লক্ষ ৬০ হাজার বর্গ কিলোমিটার বনাঞ্চল এলাকা।

এন.এস.ডব্লিউ এর মোট বনাঞ্চল এলাকা হচ্ছে ২০.৪ মিলিয়ন হেক্টর। যার মধ্যে আছে প্রায় ৭১ লক্ষ ৮ হাজার হেক্টর সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সিডনির পশ্চিমে বিখ্যাত সংরক্ষিত বনাঞ্চল ব্লু মাউন্টেন সহ (NSW) এর মোট ২৮টি সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মধ্যে ১২ টি বনাঞ্চলের ৮ লক্ষ হেক্টর বনভূমি ‌ইতিমধ্যে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা দাবানলে সর্বকালের সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্ত বনভূমি। তবে এর পরিমান আগামী দিনগুলোতে আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে ইতিমধ্যে এই রাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে অস্ট্রেলিয়ার দাবানল সম্পর্কে আরও বিস্তারিত বলার আগে দাবানলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ অর্থাৎ অনল বা আগুন সম্পর্কে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে শুরু করব। ১৯৮১ সালে অর্থাৎ প্রায় ৩৮ বছর আগে আমি যখন বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে একজন ক্যাডেট হিসেবে জয়েন করি, তখন ঠিক প্রথম দিন বিকাল সাড়ে চারটায় আমাদেরকে অংশগ্রহণ করতে হয় বাধ্যতামূলক ‘অগ্নিনির্বাপণ অনুশীলনে’।

‌দুনিয়ার তাবৎ সমুদ্রে চলাচলকারী সব ধরনের সামরিক যুদ্ধজাহাজ ও বেসামরিক জাহাজের জন্য একটি চিরন্তন সাধারণ শত্রু হচ্ছে আগুন ও পানি। জাহাজের ইঞ্জিনরুম ও গ্যালি অর্থাৎ রান্নাঘর হচ্ছে আগুনের সাধারণ উৎপত্তিস্থল।

এছাড়াও নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে গোলাবারুদের ভান্ডার অর্থাৎ ম্যাগাজিন রুম থেকেও আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আর যুদ্ধের সময় শত্রুর গোলার আঘাতে জাহাজে অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত সাধারণ ব্যাপার। তাই নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রথম দিনই আমাদেরকে শেখানো হয় একটি মূল্যবান বিষয় সেটা হচ্ছে, ফায়ার ট্রায়েঙ্গেল।

মূলত আগুন উৎপত্তির মূলেই রয়েছে আগুন নির্বাপনের মূল মন্ত্রটি। অর্থাৎ তিনটি জিনিস একত্রে সংযোগ হলেই কেবল অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। এই তিনটি জিনিস হচ্ছে (১) আগুনের জ্বালানি এমন দাহ্য পদার্থ, (২) বাতাস বা অক্সিজেন, ও (৩) তাপ বা আগুন। এই তিনটি জিনিসকে যদি একত্রে একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহু দিয়ে নির্দেশ করা যায়, তবেই একটি অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়।

তাই এই তিন বাহুর যে কোনো একটিকে সরিয়ে নিলেই অগ্নি নির্বাপিত হয়। মূলত ছোট বড় যে কোনো অগ্নিকাণ্ডের অগ্নিনির্বাপণের মূল ফর্মুলা হচ্ছে এই ফায়ার ট্রায়েঙ্গেল থেকে যে কোনো একটি বাহুকে সরিয়ে নেয়া।

এই গেল আগুনের কথা, আর পানির বিষয়টা হচ্ছে জাহাজের পানিতে নিমজ্জিত অংশের কোথাও যদি ছিদ্র বা ফাটল ধরে তবে কিভাবে একটা বিশাল জাহাজ সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে যায় তার অন্যতম উদাহরণ হচ্ছে হলিউডের বিখ্যাত ‘টাইটানিক’ চলচ্চিত্রটি। কাজেই এই বিষয়ে নতুন কোনো ব্যাখ্যা এখানে নিষ্প্রয়োজন।

এবার দেখা যাক অস্ট্রেলিয়ার চলমান ভয়াবহ দাবানলের ক্ষেত্রে এর আগে উল্লেখ করা ফায়ার ট্রায়েঙ্গেলটি কিভাবে কাজ করছে। আগেই উল্লেখ করেছি যে, অস্ট্রেলিয়াতে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত শীতকালীন সময়ে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

কিন্তু এবছর কোনো এক আশ্চর্য ভৌগলিক কারণে বৃষ্টিপাত প্রায় হয়নি বললেই চলে! এরপর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চলে বসন্তকাল। ‌ যদিও বসন্তকালের শুরুতে অর্থাৎ সেপ্টেম্বরে হালকা-পাতলা বৃষ্টি হয়, কিন্তু এবছর সেটাও হয়নি। তাই লাগাতার প্রায় ছয় মাস যাবত অনাবৃষ্টিতে অস্ট্রেলিয়া ভুগতে থাকে খরায়।

আর এই সাথে উপকূলবর্তী বনাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার জমিতে বিশাল বনরাজি শুকনা জ্বালানি বা দাহ্য কাঠের এক বিশাল স্তুপে পরিণত হয়। এরইমধ্যে ডিসেম্বর থেকে গ্রীষ্মকাল শুরু হওয়ার পর শুরু হয় গ্রীষ্মকালীন প্রচন্ড বেগের শুকনা বাতাস। কাজেই আগে থেকে তৈরি হয় থাকা ফায়ার ট্রায়াঙ্গেলের দুটি উপাদানের সাথে তখন বুশফায়ার শুরুর জন্য বাকি থাকে তৃতীয় উপাদান তাপ বা আগুনের সামান্য একটু ফুল্কি।

এই আগুনের ফুল্কির জন্য গ্রীষ্মকালে খুব বেশি একটা অপেক্ষা করতে হয় না, কারণ এটি আসে দুটি উৎস থেকে, অর্থাৎ প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট কারণে। প্রাকৃতিক উপায়ের মধ্যে আছে বজ্রপাত অথবা প্রচন্ড বাতাসে শুকনো গাছের সাথে গাছ ঘর্ষণে উৎপন্ন আগুন।

আর মানুষের সৃষ্ট আগুনের মধ্যে আছে দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে সামান্য সিগারেটের বাট ছুড়ে ফেলা থেকে অসুদুদ্দেশ্যে ইন্সুরেন্সের টাকা পাওয়ার লোভে নিজের বাড়িঘরে আগুন দেয়া বা কোনো ব্যক্তির সামাজিক হতাশার কারণ থেকে বনের এক জায়গায় আগুন দিয়ে পালিয়ে যাওয়া।

এছাড়াও আছে বাতাসের বেগে গাছপালা ভেঙে বিদ্যুতের তার বনের উপর পড়া, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি থেকে উৎপন্ন স্ফুলিঙ্গ ঘাসের উপর পড়ে প্রাথমিক আগুন লাগা ও পরে সেটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া সহ আরো অনেক অসাবধানতাবশত আগুন লাগার কারণ।

তাই দাবানলের মূল কারণ উৎঘাটনের জন্য এদেশে আছে ফরেনসিক ফায়ার ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি, যারা এই বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ ও পারদর্শী। হ্যাঁ, অবাক হলেও প্রতিবছর ছোট-বড় অনেক দাবানলের ঘটনাই ঘটে ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো আগুন‌ থেকে, এবং এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

এই ভয়াবহ দাবানলের মূল কারণ কি তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে বর্তমানে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সেই সাথে  রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একে অপরকে দোষারোপের রাজনীতি! তবে একটি বিষয় মোটামুটি সবাই একমত যে এরকম একটি নিয়ন্ত্রনহীন দাবানলের মূল কারণ হচ্ছে সমষ্টিগত অবহেলা।

অর্থাৎ গত প্রায় ২৫-৩০ বছর ধরে দাবানলের মৌসুমের আগেই সবচেয়ে জরুরী প্রিভেন্টিভ মেজারস বা আগাম প্রতিরোধ কার্যক্রম হিসেবে ‘আগাম বন ধ্বংসের’ প্রাচীন পদ্ধতিটি বিগত বছরের সরকারগুলি এড়িয়ে গেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে। এই আগাম বন ধ্বংসের কার্যক্রমটি অস্ট্রেলিয়ায় ‘হ্যাজার্ড রিডাকশন বার্নিং’ বা ‘কালচারাল বার্নিং’ নামে বহুল পরিচিত।

বস্তুত এই হ্যাজার্ড রিডাকশন বার্নিং পদ্ধতিতে বনের মাঝে পরিকল্পিতভাবে বেশকিছু বনাঞ্চল পুড়িয়ে ফেলা হয় বসন্তকালে, যাতে করে গ্রীষ্মকালে মূল দাবানল মৌসুম শুরু হলে অগ্নিকান্ডের ফলে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ কম হয় বা আগুনের ব্যাপ্তি আয়ত্বের মধ্যে থাকে। কিন্তু এবছর আগুন ছড়িয়ে পড়েছে নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে, আর সেটাই হচ্ছে বর্তমান দাবানলের ভয়াবহ দিক।

যদিও সরকারের দমকল বাহিনীর সদস্যরা আপ্রাণ ও বিরামহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে গত দুই মাস যাবত এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছে সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ধরনের সাহায্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে যা সামাল দেওয়া এখন প্রায় অসম্ভব। একমাত্র প্রচুর বৃষ্টিপাতের সাহায্য ছাড়া এই বিশাল দাবানল নির্বাপণ করা একেবারেই অসম্ভব।

তবে দাবানলের কারণ যাইহোক না কেন, বরাবরের মতই এই ভয়াবহ দুর্যোগে সাধারণ অস্ট্রেলিয়ান জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে। এরমধ্যে বিশিষ্ট সেলিব্রেটিরাও এগিয়ে এসেছেন। যেমন দুর্গতদের সাহায্যের জন্য বিখ্যাত স্পিন লিজেন্ড শেন ওয়ার্নের গ্রীন ব্যাগীটির (জাতীয় দলের ক্রিকেট খেলার সবুজ মাথার টুপি) দাম নিলামে এ পর্যন্ত  ৮ লক্ষ ৬০ হাজার ডলারে উঠেছে।

এছাড়াও বিখ্যাত গায়ক এলটন জনের ‘শো থেকে ১ মিলিয়ন ডলার সহ দেশ-বিদেশের আরো অনেকের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১০০ মিলিয়ন ডলার সাহায্য সংগ্রহ হয়েছে। তবে দুই দিন আগে অস্ট্রেলিয়ান সরকার ২ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছে দাবানল দুর্গতদের পুনর্বাসনের জন্য।

কিন্তু দাবানলের পরিপূর্ণ নির্বাপনের জন্য এই মুহুর্তের সবচেয়ে জরুরী হচ্ছে অঝোর ধারায় বৃষ্টিপাত।

  • মহিউদ্দিন কিবরিয়া, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া। 
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.