Featured ইউরোপ স্পেন

ঐতিহাসিক সৌন্দর্যময় এক শহর স্পেনের সেভিল

শেয়ার করুন

পর্তুগালের পর্যটন নগরী আলগ্রার্ভ বাংলাদেশ কমিউনিটির উদ্যোগে প্রথম বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করা হয়। স্পেনের আন্দালুসিয়া প্রদেশের রাজধানী এবং ঐতিহাসিক সৌন্দর্যময় শহর সেভিলে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) আলবুফেরা থেকে পার্শবতী দেশ স্পেনের সেভিল শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে কমিউনিটির ভ্রমনার্থীরা।

বনভোজনে প্রায় ৪৫ জন কমিউনিটির সদস্যের অংশগ্রহনের মাধ্যমে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবে সম্পূর্ণ হয়। দিনব্যাপী সেভিলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন পরিদর্শন শেষে রাতে সুষ্ঠুভাবে সকলে ফিরে আসে।

পর্তুগালের আলগ্রার্ভ বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা।

সেভিল একটি স্পেনীয় শহর যা আন্দালুসিয়া প্রদেশের রাজধানী। এটি আইবেরিয়ান উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে গুয়াদালকুইভির নদীর তীরে অবস্থিত। আন্দালুসিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম শহর এবং স্পেনের চতুর্থ বৃহত্তম শহর হিসেবে পরিচিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৩০তম সর্বাধিক জনবহুল পৌরসভার খ্যাতি রয়েছে শহরটির।

সেভিল রোমান শহর হিস্পালিস হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ১২১২ সালে মুসলিম বিজয়ের পরে ইশবিলেয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। স্পেনের মুসলিম শাসনামলে সেভিলের স্বাধীন তায়েফার আগে কর্ডোবার খিলাফতের অধীনে আসে। পরবর্তীতে এটি মুসলিম আলমোরাভিডস এবং আলমোহাদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছিল।

আমেরিকা আবিষ্কারের পরে সেভিল স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসাবে পরিণত হয়েছিল। ফারডিনান্দ ম্যাগেল্লান পৃথিবীর প্রথম প্রদক্ষিণের জন্য সেভিল থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন।

ইউরোপীয় ইতিহাসের বারোক যুগের সাথে একত্রিত হয়ে, সেভিল সতের শতকের নগরীর সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এরপরে ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যার অবনতি শুরু হয় শহরটিতে।

সেভিলে দেখা মিলবে এমন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার।

বিংশ শতাব্দীতে সেভিল স্পেনীয় গৃহযুদ্ধের দুঃখকষ্ট দেখেছে। ১৯৯৯-এর ইবারো-আমেরিকান এক্সপোজিশন এবং এক্সপো’৯২-এর মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে শহরটি ইউরোপের অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠে। বর্তমানে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসে ঐতিহাসিক এই শহরটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

বনভোজনের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন আহবায়ক এ এস এম মনিরুল আলম, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ মহিবুর রহমান, মাসুম মাজিদ, মোঃ রাকিবুল হাসান, আতাউর রহমান সুনেল, শরফুদ্দিন খালেদ, আতিকুর রহমান

  • রাসেল আহম্মেদ, লিসবন, পর্তুগাল।
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.