রূপাকে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর হত্যা, ৪ জনের ফাঁসি

download-4.jpg

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ করে হত্যা মামলায় চার জনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ৭ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আবুল মনসুর মিয়া এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে মামলার আসামিরা উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশে আলোচিত ওই ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ছোঁয়া পরিবহনের চালক হাবিবুর রহমান (৪৫), হেলপার শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯)। সুপারভাইজার সফর আলীকে (৫৫) সাত বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ কে এম নাছিমুল আক্তার। তাকে সহায়তা করেন মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী এস আকবর খান, মানবাধিকারকর্মী এম এ করিম মিয়া ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আজাদ। আসামিপক্ষে ছিলেন শামীম চৌধুরী দয়াল ও দেলোয়ার হোসেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে চলন্ত বাসে রূপাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে বাস চালক ও তার সহযোগীরা। পরে তার লাশ ফেলে দেয় পঁচিশ মাইল এলাকায়। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ বাদি হয়ে এ ঘটনার মামলা করে। ঢাকার আইডিয়াল ল কলেজের ছাত্রী রূপা একটি প্রতিষ্ঠানের বিপণন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায়।

এ ঘটনায় ছোঁয়া পরিবহনের ড্রাইভার হাবিবুর রহমান, সুপারভাইজার সফর আলী, হেলপার শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫ জনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

 

  • প্রবাস কথা ডেস্ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *