বাংলাদেশ থেকে

আপন জুয়েলার্স: তিন মালিক কারাগারে

শেয়ার করুন
কর ফাঁকির পাঁচ মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদসহ তিনজন আত্মসমর্পণ করার পর তাদের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অন্যরা হলেন- দিলদার আহমেদের দুই ভাই গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের হওয়া ওই মামলাগুলোতে মঙ্গলবার আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার পৃথক চার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন দুপুরে রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি, রমনা এবং উত্তরা-পূর্ব থানার পাঁচ মামলায় আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। বেলা ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত পৃথক চার ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে শুনানি হয়। প্রথমে দিলদার আহমেদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে রাজধানীর উত্তরা-পূর্ব, ধানমন্ডি ও পরে রমনা থানার তিন মামলায় জামিনের শুনানি হয়।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল হাসান উত্তরা-পূর্ব থানার মামলায়, ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিন ধানমন্ডি থানার ও দেবব্রত বিশ্বাস রমনা থানার মামলায় শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আহসান হাবীব আসামি গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানার দুই মামলায় শুনানির পর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
চোরাচালানের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরা জব্দের ঘটনায় ওইসব মূল্যবান ধাতু কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার দায়ে আপন জুয়েলার্সের মালিক ওই তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে গত ১২ আগস্ট রাজধানীর চার থানায় মোট পাঁচটি মামলা দায়ের করে শুল্ক গোয়েন্দা। মামলাগুলোতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ধারা ২ (ঠ) এবং কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯-এর ধারা ১৫৬(৫) এর অভিযোগ আনা হয়।
  • প্রবাস কথা ডেস্ক
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.