মালয়েশিয়ায় রেস্টুরেন্টে বিদেশীদের চাকরিতে ইমিগ্রেশন বিভাগের কড়া নজরদারি

mustafar-ali.jpg

‘আমাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য বিভাগটিকে দোষ দেয়া উচিত না এবং নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই আইন ভঙ্গের ফলাফলের সম্মুখীন হতে হবে৷’

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ কুয়ালালামপুরের প্যাভিলিয়ন মলের একটি দক্ষিণ কোরিয়ান রেস্টুরেন্ট থেকে স্থানীয় কর্মীসহ ২৯ জন বিদেশী শ্রমিককে গ্রেফতার করার পর রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগ তোলে যে, এ সকল শ্রমিকদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে৷এমন অভিযোগ ওঠার পর উদ্বেগ প্রকাশ করে ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক ডাতুক সেরি মুস্তফার আলী এ মন্তব্য করেন৷ তাছাড়া তিনি আরও জানান-

‘আমাদের তদন্তে উদঘাটিত হয়েছে যে বিদেশী কর্মীকে ফ্রন্টলাইনার যেমন ক্যাশিয়ার, বিক্রয় সহকারি এবং ওয়েটার হিসেবে কাজ করানো হয়৷নিয়োগকর্তারাও জানেন যে, এটি অনুমোদিত নয়৷’

গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে মুস্তফার আলী বলেন-

‘আমরা হতাশ হয়েছি এটা দেখে যে, নিয়োগকর্তারা এই নিয়মটিকে তুচ্ছ করছেন এবং আইন লঙ্ঘনের সাহস দেখিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদি লাভের জন্য। এ ধরনের মনোভাব দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে৷’

গত শুক্রবার মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের এ অভিযানে ২৮ জন বিদেশী রেস্টুরেন্ট কর্মী আটক করে যার বেশিরভাগই বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের নাগরিক৷ তারা বৈধ নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায়, অভিবাসন বিভাগের ৬(১) (সি) ধারার অধীনে তাদেরকে আটক দেখানো হয়েছে৷ এদিকে স্থানীয় অন্য এক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ঐ একই দিনে প্যাভিলিয়ন মল থেকে মোট ২১১ কর্মীকে আটক করা হয়েছে৷ গ্রেফতারকৃত অন্য কর্মীরা  মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিক৷

সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যা ৮ টা পর্যন্ত ২০০০ জনের বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।এ প্রসঙ্গে মুস্তফার আরও বলেন-

‘সরকার নিয়োগকারীদের বিদেশী কর্মীদের ই-কার্ড কর্যক্রমের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে, যা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে এ বছরের ৩০ এ জুন পর্যন্ত৷ আমরা আমাদের অভিযান চালিয়ে যাবো এবং সেই সকল বিদেশী কর্মী বা নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, যারা আইন ভঙ্গ করেছে৷’

এখানে ক্লিক করুন, লাইক দিন, প্রবাসের সব খবর পৌঁছে যাবে আপনার কাছে

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *