মালয়েশিয়ায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে প্রবাসীদের বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি

MusAli.transformed.jpg

প্রবাসীদের মধ্যে কিছু অংশ ট্রাফিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে গাড়ি চালানোর দায়ে প্রবাসীদের বহিষ্কার করা হবে এবং তাদের ক্ষেত্রে আইনের সঠিক ব্যবহার এবং এর নিশ্চয়তার লক্ষ্যে এ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। খবর দ্যা স্টার অনলাইন।

গতকাল মঙ্গলবার (১২ ই ফেব্রুয়ারি) মালয়েশিয়ান ক্রাইম প্রিভেনশন ফাউন্ডেশনের সাথে সাক্ষাতের পর দাতুক সেরি মুস্তফার আলী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ হুঁশিয়ারি দেন।

দাতুক সেরি বলেন,

‘নিয়মিত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী প্রবাসীদের বহিষ্কার করতে সড়ক ও পরিবহন বিভাগ (জেপিজে) কর্তৃক এ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে যে, যেসকল প্রবাসী নিয়মিত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করবে তাদের বহিষ্কার করা হবে।’

তিনি জানান, কিছু চালক যারা প্রতিনিয়ত তাদের ইচ্ছা মতো গাড়ি চালায়। যারা আইন মানা তো দূরের কথা, সড়কে শৃংঙ্খলাও বজায় রাখার চেষ্ট করে না। আমরা তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিবো। আমাদের দেশে যারা আইন অমান্য করে চলবে, আমরা তাদের স্বাধীনতা দিতে পারি না বলেও জানান তিনি।

মুস্তফার আলী আরও জানান, এ ধরনের আইন লঙ্ঘনকারীদের অপসারণের ক্ষমতা অভিবাস বিভাগের রয়েছে। যে কয়েকটি আইন প্রবাসীরা লঙ্ঘন করে সেগুলোর মধ্যে হলো- সড়কের লাল লাইট এড়িয়ে চলা, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো, আবার প্রফেশনাল ড্রাইবিং লাইসেন্স নেই তাদের সংখ্যাও রয়েছে, অনেকেই সঠিকভাবে ভ্যাট দিচ্ছে না। এ সকল বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের অপসারণ করা হবে এবং পর্যাপ্ত গুরুত্বসহকারে অভিযান পরিচালিত হবে।

তবে কী পরিমান এসব অবৈধ প্রবাসী চালক রয়েছে, সেটি প্রকাশ করা হয়নি।

আইন লঙ্ঘনকারীদের গ্রেপ্তারে পর তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। যদি তারা সু-নিদিষ্ট কারণ দেখাতে না পারে তাহলে তাদের সাথে সাথে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

জেপিজে ডিরেক্টর জেনারেল দাতুক ওয়ান আহমেদ উজির ওয়ান সুলাইমান বলেন,

‘আমরা বিভিন্ন দেশের ড্রাবিং লাইসেন্সধারী চালকদের সুবিধা দিয়েছি। যারা বিভিন্ন দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় েএসেছে। তবে যাদের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, তাদেরকে মালয়েশিয়ায় ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে এবং ড্রইভিং স্কুল থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।’

ওয়ান আহমেদ উজির জানান, যদি কোন প্রবাসী তার নিজ দেশের মেয়াদধারী ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পারে তাহলে তা বৈধ বলে গণ্য হবে। তবে লাইসেন্সটি যদি তার নিজ দেশের ভাষায় হয়, তাহলে সেটি ইংরেজি বা মালয়ে ভাষায় উপস্থাপন এবং তাদের দূতাবাসকর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

 

  • শাহরিয়ার তারেক, প্রবাস কথা, কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *