মিশর

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে ২০০ অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনায় ৫৬ জনের সর্বোচ্চ ১৪ বছর করে কারাদন্ড

অভিবাসী নৌকা ডুবে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হওয়ায়, মিশরের একটি আদালত ৫৬ জনকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড দিয়েছে।ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে ঐ দূর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষের সলিল সমাধি হয়। ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মিশর উপকূলে ঐ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। তারপর উদ্ধারকর্মী এবং জেলেরা ১৬৯ জনকে উদ্ধার করে এবং কমপক্ষে ২০২ জনের মৃত্যু হয়।

অভিবাসীদের এই গণমৃত্যুর ঘটনায় ৫৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগগুলো ছিল- নৌকায় যাত্রীদের জন্য জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম না রাখা, অভিবাসীদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা, অভিবাসীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাদের লুকিয়ে রাখা এবং এমন নৌযান ব্যবহার করা যার লাইসেন্সই নেই।

এখানে ক্লিক করুন, লাইক দিন। প্রবাসের আনন্দ-বেদনা আর সংগ্রামের সব খবর পৌঁছে যাবে আপনার কাছে

মিশরের উত্তরে বেহেইরা প্রদেশের অংশে যেখানে নীল নদ ভূমধ্যসাগরের সাথে মিশেছে সেখানে ডুবে যায় অভিবাসীদের নৌকা। ঐ নৌকায় করে মিশরীয়, সুদানী, ইরিত্রিয়ান এবং সোমালিয়ার অভিবাসীরা উন্নত জীবনের আশায় ইতালীর দিকে যাচ্ছিলো।

ঐ ঘটনার একমাস পর মিশরের পার্লামেন্ট দোষীদের জন্য শাস্তি আর জরিমানার বিধান পাশ করে। যারা মানবপাচারের সাথে সম্পৃক্ত, যারা এ কাজে দালালি করে এবং যারা অবৈধ অভিবাসনে সহযোগিতা করে তারা এই আইনে শাস্তির আওতায় পড়বে।

অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বলছে, শুধু ২০১৬ সালেই ভূমধ্যসাগরে প্রায় ৫০০০ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।সবচেয়ে ভয়াবহ দূর্ঘটনায় গত বছরের এপ্রিলে মিশর উপকূলে একটা জেলে নৌকা ডুবে প্রায় ৫০০ জন আফ্রিকান অভিবাসীর মৃত্যু হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.